Home

About Madaripur Legal Aid Association (MLAA)

Since 1978 Madaripur Legal Aid Association (MLAA) has developed sustainable programs that address the greatest challenges with formal and informal justice system in Bangladesh.

Vision  A just society where rule of law and human rights are upheld.

Mission MLAA strives to ensure access to justice and human rights for all people irrespective of sex, cast, creed, religion, race through informal justice process and formal justice system. Goal: Access to justice increased for empowerment of disadvantaged people, particularly women & children.

Read More…

Message from Secretary

fazlul-huq

Our mission is to establish a society based on equal rights. Access to justice for all is the corner stone. At the outset our primary approach was free legal representation of our clients in the formal courts of law.

Read More…

Training and Resource Center

mlaa-training-center

An organization is known for its quality of services that are being provided to target groups. But quality and effectiveness of services depend largely upon efficiency of service providers of different levels.

Read More…

Library of MLAA

mlaa-liabrary

Madaripur Legal Aid Association (MLAA), a pioneering NGO works in the field of legal aid and local justice since 1978. And to strengthen its programme MLAA has set up a library in the Training and Resource Centre.

Read More…

 City-Court-Act

The new law is needed to settle petty disputes of city dwellers at the local level, not in court

People are more interested in resolving petty disputes at the local level due to delays, harassment, and money spending in court cases. Conciliation of Dispute (Municipal areas) Board Act, 2004 is more often used by peoples who want to settle petty disputes and not seek help from court to save money and reduce harassment. Similarly, village courts resolves petty disputes of the people at the union level. Although, there is no such la for about 20 million people living in 12 city corporations of the country. Therefore, the new law is needed to settle petty disputes at the city corporation. ReadMore

 City-Court-Act

“প্রস্তাবিত নগর আদালত আইনের প্রয়োজনীয়তা, আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় করণীয়” কর্মশালা

মাদারীপুর লিগ্যাল এইড অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড এন্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (বøাস্ট), নাগরিক উদ্যোগ এবং এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্লাটফর্ম, বাংলাদেশ আয়োজিত “প্রস্তাবিত নগর আদালত আইনের প্রয়োজনীয়তা, আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রিন্ট মিডিয়া, ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং অনলাইন মিডিয়ার সাংবাদিকগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রস্তাবিত নগর আদালত আইন বিষয়ে মতবিনিময় এবং স্থানীয় সরকার কাঠামোর আওতায় বিরোধ নিষ্পত্তি সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের অবগত করার লক্ষ্যে উক্ত কর্মসূচি আয়োজন করা হয়। কর্মসূচির মূল লক্ষ্য ছিল প্রস্তাবিত নগর আদালত আইন বাস্তবায়নে সাংবাদিকগণ যাতে জনগণ সহ বিভিন্ন স্টেকহোল্ডারদের এ বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন। এছাড়া এর মাধ্যমে এসডিজির ১৬ নম্বর ধারা সুশাসন ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় উক্ত পদক্ষেপ প্রয়োজনীয় ভূমিকা পালন করবে। কেননা, প্রস্তাবিত নগর আদালত আইন বাস্তবায়ন হলে নগরে বসবাসরত এক কোটি ষাট লক্ষেরও বেশি মানুষ খুব সহজেই আইনী সুবিধা পাবে। এতে প্রচলিত আদালতে মামলার জটও কমবে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রস্তাবিত আইনে সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরগণকে প্রাথমিক বিচার করার এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে এবং এর পরিধি দুই লক্ষ পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত প্রস্তাবনা রাখা হয়েছে। তবে, আলোচকগণের কেউ কেউ সন্দিহান যে সিটি কর্পোরেশনের কাউন্সিলরগণ যেহেতু রাজনৈতিক ভাবে নির্বাচিত, সেহেতু তারা প্রভাবমুক্ত হয়ে আদৌ নিরপেক্ষ বিচার করতে পারবে কি না! তবে, খসড়া প্রণয়নকারীগণ জানিয়েছেন যেহেতু সিটি কর্পোরেশনকে কেন্দ্র করেই উক্ত আইনের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে, ফলে কাউন্সিলরগণকে উক্ত প্রক্রিয়া থেকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। তবে, উক্ত আইনের কার্যক্রম শুরু হলে মাঠ পর্যায়ের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে পরবর্তীতে এ বিষয়ক সংশোধনীর জন্যে আলোচনা করা যেতে পারে। তবে, প্রস্তাবিত আদালতের আর্থিক পরিসর নিয়ে এখনো চিন্তাভাবনার সুযোগ রয়েছে। এছাড়া খসড়া আইনে উল্লেখিত বেশ কয়েকটি ধারা (যেমন: গবাদি পশু, নাবালকের স্বার্থ, বেআইনি সমাবেশ, পুরুষ কাউন্সিলর, সরকারি কর্মচারি, আদালত অবমাননা ইত্যাদি)-এর যৌক্তিকতা যাচাই করা প্রয়োজন। আয়োজক প্ল্যাটফর্ম আগামী দিনগুলোতে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান সহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন সংস্থার সাথে মত বিনিময় করে উক্ত আইন বিষয়ে সকলের পরামর্শ গ্রহণ ও যাচাই করে খসড়া আইনটি পরিবর্ধন ও পরিমার্জন করা হবে। সবশেষে তা কার্যকর বাস্তবায়নে সরকারের সাথে অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যেখানে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকগণ অন্যতম অনুঘটকের ভূমিকা পালন করবেন বলে আয়োজকগণ আশা প্রকাশ করেছেন। আরো জানুন